রস্পরিক সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও পেশাগত বন্ধন আরও সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে নরসিংদী জেলা সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ পরিষদের উদ্যোগে দিনব্যাপী ‘মিলন মেলা-২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (২৫ জুলাই) নরসিংদীর পাঁচদোনায় অবস্থিত ড্রিম হলিডে পার্কে এ মিলনমেলার আয়োজন করা হয়। এতে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের প্রতিনিধি এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা অংশগ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হয়েছিলেন নরসিংদী-২ পলাশের সংসদ সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন নরসিংদী-১ আসনের সংসদ সদস্য খায়রুল কবির খোকন ও সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য এড. শিরিন সুলতানা, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সাবেক সচিব ড. মো. ফরিদুল ইসলাম, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব কানিজ মওলা, নরসিংদী জেলা পরিষদের প্রশাসক আলহাজ তোফাজ্জল হোসেন মাস্টার, শ্রম অধিদপ্তরের পরিচালক মোস্তফা আজিজুল করিম, নরসিংদী আন্তঃজেলা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সভাপতি সারোয়ার হোসেন মৃধা, নরসিংদী জেলা মহিলাদলের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট কানিজ ফাতেমা, পলাশ উপজেলা মহিলা দলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অ্যাডভোকেট আয়েশা আক্তার চম্পা, পলাশ উপজেলা যুবদলের সভাপতি অ্যাডভোকেট বাছেদ ভূইয়া, নরসিংদী জেলা তাতীদলের সভাপতি হুমায়ুন কবির কামাল, ঘোড়াশাল পৌর মহিলা দলের সভাপতি শাহনাজ পারভীন, সহ-সভাপতি মমতাজ বেগম, বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী সংযুক্ত পরিষদের সভাপতি নুরুল ইসলাম প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন নরসিংদী জেলা সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ পরিষদের সভাপতি মো. মোফাচ্ছেল হোসেন। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন পরিষদের সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. আমজাদ হোসেন।
এ সময় সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক শরিফুল ইসলাম, যুগ্ম সাধা

রণ সম্পাদক শাকিল মিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ তানরূপ জাহান, প্রচার সম্পাদক খলিলুর রহমানসহ পরিষদের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ ও সদস্যরা উপস্থিত থেকে অনুষ্ঠান বাস্তবায়নে সার্বিক দায়িত্ব পালন করেন।
বক্তারা বলেন, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য, পেশাগত দক্ষতা ও আন্তরিক সম্পর্ক বৃদ্ধির পাশাপাশি জনসেবার মানোন্নয়নে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের মিলনমেলার ধারাবাহিকতা বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
দিনব্যাপী আয়োজনে অংশগ্রহণকারীদের জন্য সকালের নাস্তা, মধ্যাহ্নভোজ ও বিকেলের নাস্তার ব্যবস্থা করা হয়। পাশাপাশি মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, মতবিনিময় এবং আনন্দঘন পরিবেশে মিলনমেলা সম্পন্ন হয়।


